মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন হলো শিক্ষা। শিক্ষার প্রথম ও প্রধান কাজ হল পরিবেশের সাথে শিক্ষার্থীদের সংগতি বিধান বজায় রাখা। শিক্ষা অর্জনে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য আর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা বিদ্যালয়ের কোন বিকল্প নেই। তাই মনোহর সুন্দর নয়নাভিরাম চিরসবুজ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলা যশোর সদরে অবস্থিত যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN ১১৫৯৫২) প্রতিষ্ঠানটি। ভৈরব নদীর কোল ঘেষে বিদ্যালয়টিতে মাটির পৃথিবীকে অন্ধকার থেকে সরিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে আমাদের জন্মভূমির মশাল হস্তে কঠোরভাবে দাড়িয়ে আছে। আর এভাবেই নিরালস কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে তাপসীনিরা যুগে যুগে অক্ষর জ্ঞানহীনদের মাঝে দিয়ে যাচ্ছে জ্ঞানের সন্ধ্যান। মূলত-দেশের নারী শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যেই সম্প্রতি যশোরের প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়”। আকিজ গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের সহধর্মিনী বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা মরহুমা সখিনা বেগমের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশ এ বিদ্যালয়টি।
অবস্থান : যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়ায় ভৈরব নদী ঘেঁষে ছায়া সুনিবিড় পত্র পল্লবে ঘেরা সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে পাঁচ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত।
প্রতিষ্ঠা : ১৯৯৮ সালের ৯ই অক্টোবর বিদ্যালয়টির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সখিনা বেগম। ২০০০ সালের ৩১শে মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যালয় উদ্বোধন ও ফলক উন্মোচন করেন পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউণ্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডঃ সালেহ উদ্দিন আহমেদ। বিদ্যালয়ের পরিচালক হিসেবে রয়েছেন তরুণ শিল্পপতি শেখ আফিল উদ্দিন।
পাঠ বহির্ভূত কার্য ক্রম : প্রত্যেক বৃহস্পতিবার ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা, ছড়া, আবৃত্তি, গান, নাচ, কৌতুক ইত্যাদি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এ ছাড়া প্রতিদিন শিক্ষার্থীদেরকে নামাজ এবং আরবী শিক্ষা, যেমন: হাদিস, সুরা, দরূদ শরীফ, দোয়া, হামদ-নাত ইত্যাদি শিক্ষা দেয়া হয়।